কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২ এ ০১:১০ PM
কন্টেন্ট: গল্প নয় সত্যি
কুল চাষে রওশন আলীর মুখে হাসি
রওশন আলী, বংশ পরম্পরায় কৃষক। বাড়ি মানিকগঞ্জ সদরের জাগীর ইউনিয়নের কামারদিয়া গ্রামে। মাঠ ফসলের পাশাপাশি ফল চাষে সবসময় আগ্রহী তিনি, চাষও করেন প্রতিবছর। তবে এবারের ফল চাষের গল্পটা ছিল ভিন্ন, প্রথমবারের মতো উত্তম কৃষি ব্যবস্থাপনার (GAP) মাধ্যমে নিরাপদ পদ্ধতিতে কাশ্মিরী ও বলসুন্দরী জাতের কুল বরইয়ের চাষাবাদ করেন তিনি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে “ঢাকা, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় উত্তম কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফল এবং সবজি উৎপাদন, বাজারজাতকরণ কর্মসূচি”-এর আওতায় বসতবাড়ির আঙিনায় ১ বিঘা জমিতে তিনি কুলের চাষাবাদ করেন। কর্মসূচি থেকে সরকারিভাবে বলসুন্দরী ও কাশ্মিরী জাতের ৯০টি কুলের চারা ও বিভিন্ন সময়ে সারসহ অন্যান্য উপকরণ সহায়তা দেওয়া হয়। মাত্র কয়েক মাসের পরিচর্যার পর কুলের বাগানে বিস্ময়কর ফলন হয়। আশেপাশের কৃষকসহ অন্যান্য জনসাধারণ কুলের এই অভাবনীয় ফলন দেখে অবাক হয়। কৃষক রওশন আলীর ভাষ্যমতে, “এতো তাড়াতাড়ি প্রথম বছরেই এতো ফলন পাবো ভাবি নাই। সবাই দেখতে আসতেছে, একটা সাড়া পড়ে গেছে। অন্য কৃষকরাও এখন এরকম বাগান করার জন্য পরামর্শ চাচ্ছে। আগামী বছর আশা করি আরো বেশি ফলন হবে।”
রওশন আলীর হিসাব মতে, অনেককে কুল খেতে দিয়েও প্রায় ৪০ হাজার টাকার কুল তিনি বিক্রি করেছেন। তাঁর কুল চাষের এ যাত্রা সফল হয়েছে এবং তিনিসহ পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটেছে।